সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন

সর্বোশেষ:
সহবাসের জন্য মাসিক বন্ধ করার বিধান কি? পুরুষদের হাতে মেহেদী দেওয়া! হস্তমৈথুনকারীর উপর গোসল ফরয নয়? যৌনি পথে বীর্যপাত না হলে গোসল করতে হবে না? পাকা ফ্লোর পবিত্র করার নিয়ম ঋতুস্রাব মনে করে নামায ছেড়ে দেওয়া কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে কি বৈধ? জন্মবার্ষিকী কি শিরক? স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া সফর বৈধ নয় কেন? হযরত ঈসা আ.কে অবৈধ সন্তান বলা মাহরামের সাথে বিয়ে অবৈধ হওয়ার রহস্য বাসর রাতে নববধূর সহবসে বারণ বিড়ি সিগারেট সেবন করা কি বৈধ? জবেহকৃত পশুর কোন কোন অংশ খাওয়া হারাম? একাধিক স্ত্রীর সাথে সহবাস কিভাবে করবে? ইসলামে কি পীর মুরিদ আছে? লা-মাযহাবীর পিছনে নামায পড়া পশ্চাদ দিক হতে স্ত্রীর যৌনাঙ্গে সহবাস করা খতনা উপলক্ষে অনুষ্ঠান করা কি বৈধ? অহংকার

হযরত ঈসা আ.কে অবৈধ সন্তান বলা

জিজ্ঞাসাঃ আমাদের এলাকায় জনৈক ব্যক্তি হযরত ঈসা আ.-কে অবৈধ সন্তান বলেছে। আমার জানার বিষয় হলো সেই ব্যক্তিকে কাফের বলা যাবে কিনা? যদি সে কাফের হয়, তা হলে তার স্ত্রী তালাক প্রাপ্তা হবে কিনা? আর তার সাথে আমরা সম্পর্ক রাখতে পারবো কিনা? যদি উত্তর দিতেন তা হলে উপকৃত হতাম।

সমাধানঃ হযরত ঈসা আ. একজন পুতঃপবিত্র নবী এবং রাসূল। তিনি পিতার মাধ্যম ছাড়া আল্লাহ তাআলার হুকুমে হযরত মারইয়াম আ.-এর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ তাআলা কুরআন মাজীদের সূরা মারইয়ামে সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং হযরত ঈসা আ.-কে অবৈধ সন্তান বলার অর্থ হলো, কুরআনকে তথা আল্লাহর কালামকে অস্বীকার করা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর কালামকে অস্বীকার করে, সে মুরতাদ হয়ে যাবে। তা ছাড়া কোন নবীকে গালি দেওয়া বা মন্দ বলা কুফরী কাজ।

সুতরাং উক্ত ব্যক্তি ‍মুরতাদ হয়ে গেছে। আর কোন ‍মুরতাদের সাথে ‍মুমিন মহিলাদের বিবাহ শুদ্ধ নয়। তাই তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। অতএব, উক্ত মহিলা তার ইদ্দত পালনের পর তথা তিন হায়েয এবং গর্ভবতী হলে সন্তান প্রসবের পর অন্য কোন পুরুষের সাথে বিবাহ বসতে পারবে।

শরীআতের দৃষ্টিতে মুরতাদের হুকুম হলো, তার সামনে ইসলামের সহীহ আকীদা পেশ করা হবে। যদি সে কবুল করে, তা হলে তো ভালো। অন্যথায় তাকে তিনদিন কারাগারে বন্দী করে রাখতে হবে, যাতে সে পুনরায় ইসলামের দিকে ফিরে আসে। যদি তিন দিনের মধ্যে ফিরে না আসে, তা হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এ ধরণের খোদাদ্রোহীদের সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক রাখা এবং তাদের সাথে উঠাবসা করা হারাম। এমন লোক বিনা তাওবায় মারা গেলে মুসলমানদের গোরস্থানে তাদের দাফন করাও জায়েয নেই।

 

আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন- সূরা মারইয়াম ১৯ঃ৩০, ফাতাওয়া আলমগীরী ২/২৬৩, রদ্দুল ‍মুহতার ৪/২২২,

অনুগ্রহ করে প্রচারের জন্য শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Muftimahbub.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com