বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
যে কারণে প্রতিদিন কুরআন মাজীদ পড়া উচিত আল্লাহ তাআলা বলা হারাম! যে দিন সহবাস নিষেধ! কুকুর দ্বারা কি শিকার করানো যায়? খতনা উপলক্ষে অনুষ্ঠান করা কি বৈধ? ওযুর পর বাচ্চাকে দুধ পান করানো কি নিষেধ? Veet বা ম‌েডিসিন দ্বারা গোপন লোম পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে ন্যায়ের বিষয়ে আপোষহীনতা সৎ খালাকে বিয়ে করা কি বৈধ? অসম্পূর্ণ বাচ্চা প্রশবের পর রক্তঃস্রাব বস্ত্রহীন অবস্থায় সহবাস বিয়েতে যে ৫টি কাজ করা যাবে না স্ত্রীর যৌনাঙ্গে বীর্যপাত না হলে কী গোসল ফরজ হয় না? শারিরিক সম্পর্কের পর বিয়ে সিক্স প্যাক বিতর্ক : দাম্ভিকতার ভয়াবহ প্রদর্শন বিড়ি সিগারেট খাওয়া শালীর সাথে শারিরিক সম্পর্কের কারণে স্ত্রী তালাক হয়ে যায়? পান ও জর্দা খাওয়া কেমন? স্ত্রীর মাসিক চলাকালীন সময় কনডম বা অন্যাপায়ে সহবাস শরীয়তে কুলখানী কি বৈধ?

বিয়েতে যে ৫টি কাজ করা যাবে না

কুরআন-হাদিসের ওপর সমাজিক প্রথাকে প্রাধান্য দিই আমরা। আদৌ ভাবি না, বা ভাবার প্রয়োজনবোধ করি না যে, সমাজিক প্রথাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে কুরআন-হাদিসে বর্ণিত নিষিদ্ধ কাজে জড়িয়ে পড়ছি।

বিয়ে-শাদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ আমলের ক্ষেত্রে সামাজিক প্রথা পালন করার ফলে ফেতনা থেকে ঝগড়া পযর্ন্ত গড়ায়। এ নিয়ে বাড়াবাড়িতে একসময় প্রাণ নাসের ঘটনাও আমরা প্রায় পত্রপত্রিকায় দেখি। আসলে অন্যায়-অপরাধের সূত্রপাত শুরু হয় কুরআন-হাদিসের বিধিনিষেধের প্রতি দৃষ্ঠতা প্রদর্শনের কারণে।

বিয়ে-শাদীতে আমরা এমন অনেক কাজ করি, যা নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে জামিয়া রাহমানিয়া মুহাম্মদপুর, (আলী এন্ড নূর) ঢাকার শাইখুল হাদিস ও প্রধান মুফতি, মুফতি মনসূরুল হক আলোচনা করেছেন বিয়ে-শাদীতে বর্জনীয় নিষিদ্ধ কর্মবিষয়ে। আসুন দেখে নেই বিষয়গুলো-

১. কনে পক্ষ ছেলেপক্ষের কাছে সোনাদানার শর্তারোপ করতে পারবে না। শর্ত নিষেধ এবং ছেলের পক্ষ থেকেও যৌতুক চাওয়া হারাম।

২. কনের ‘ইযন’-এর জন্য সাক্ষীর কোন প্রয়ােজন নেই। সুতরাং ছেলের পক্ষের লােক ‘ইযন’ শুনতে যাওয়া অনর্থক এবং বেপর্দা। সুতরাং তা নিষেধ। মেয়ের কোন মাহরাম বিবাহের উকিল হওয়ার অনুমতি নিবে।

৩. শর্ত আরােপ করে বরযাত্রীর নামে বরের সাথে অধিক সংখ্যক লােকজন নিয়ে যাওয়া এবং কনের বাড়ীতে মেহমান হয়ে কনের পিতার ওপর বােঝা সৃষ্টি করা আজকের সমাজের একটি জঘন্য কুপ্রথা, যা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা আবশ্যক।

৪. ওলীমায় অতিরিক্ত ব্যয় করা কিংবা খুব উঁচু মানের খানার ব্যবস্থা করা জরুরী নয়। বরং সামর্থ্যানুযায়ী খরচ করাই সুন্নাত আদায়ের জন্য যথেষ্ট। যে ওলীমায় শুধু ধনী ও দুনিয়াদার লােকদের দাওয়াত করা হয়, দীনদার ও গরীব-মিসকিনদের দাওয়াত করা হয় না, সে ওলীমাকে হাদীসে নিকৃষ্টতম ওলীমা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সুতরাং এ ধরনের নিকৃষ্ট ওলীমার আয়ােজন থেকে বিরত থাকা উচিত।

৫. ওলীমার মজলিসে হাদিয়া লেন-দেন ঠিক নয়। কেউ হাদিয়া দিতে চাইলে নিজের সুযােগ মত পাঠিয়ে দিবে। প্রচার করবে না। এটাই হাদিয়ার সুন্নাত।

সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করুন বন্ধুর সাথে...

Leave a Reply

Your e-mail address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2018 Muftimahbub.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
ইসলামী জিজ্ঞাসা
 
জিজ্ঞাসা
 
ইসলামী জিজ্ঞাসা
+