রবিবার, ২৬ মে ২০১৯, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
আমার স্বামী পরনারীর সঙ্গে সেক্স চ্যাট করে; কী করব? মহিলা মাদরাসায় এসব কি হচ্ছে? রোযা অবস্থায় ব্রাশ করা যাবে? মৃত ব্যক্তির চুল নখ কাটা যাবে? ওষুধের মাধ্যমে মহিলাদের মাসিক নিয়ন্ত্রণ রোযা রেখে সহবাস করা যাবে কি? মুখে যে আর্দ্রতা থাকে তা কি থুথুর সাথে গিলে ফেলা যাবে? স্বপ্নদোষ হলে কী করবে? রোযা রেখে জোরপূর্বক স্ত্রী সহবাস তারাবিহ না পড়লে কি গুনাহ হয়? পোশাক সম্পর্কে ইসলামী নীতিমালা ফেসবুকে সালামের উত্তর কিভাবে দিব? রোযা অবস্থায় অশ্লীল চিন্তা-ভাবনায় বীর্যপাত হলে! রোযা রেখে যুবতী স্ত্রীকে চুমু দেওয়া রোযা রেখে হস্তমৈথুন করা যায়! কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যে তিন ব্যক্তির বিচার হবে ঝড়-তুফানের সময় যে দুআ পড়তে হয় ঝড়ের সময় আযান দেয়ার বিধান কি? রমযান মাসে হায়েয শুরু হলে কী করবে? ওষুধ খেয়ে হায়েজ বন্ধ করে দিবে? আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বিয়ে করলে বিয়ে হবে কিনা?
স্ত্রী যদি বলে, আমার সাথে রাতে থাকা মানে আমার মায়ের সাথে থাকা

স্ত্রী যদি বলে, আমার সাথে রাতে থাকা মানে আমার মায়ের সাথে থাকা

জিজ্ঞাসা–: স্ত্রী যদি রাগের মাথায় বলে যে আমার সাথে রাতে থাকা মানে (স্ত্রীর) আমার মায়ের সাথে থাকা । এখন কি করা উচিৎ?– মোঃইউনুস আলী।

জবাব: ইসলামী শরীয়ত তালাক দেয়ার মূল অধিকার যেমন স্ত্রীকে দেয় নি ঠিক তেমনি নিজেকে স্বামীর জন্য হারাম করে নেয়ার অধিকারও দেয় নি। সুতরাং স্ত্রীর উক্ত কথা দ্বারা উক্ত স্বামীর জন্য স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে না; বরং  স্ত্রীর এরূপ কথা অযথা ও অর্থহীন। তবে এর দ্বারা স্ত্রীর ওপর কসমের কাফফারা দেয়া অত্যাবশ্যকীয় হবে। কারণ স্ত্রীর একথা বলার অর্থ হচ্ছে সে তার স্বামীর সাথে সম্পর্ক না রাখার শপথ করেছে। এক্ষেত্রে শুধু কসমের কাফফারা দিতে হবে। তবে কাফ্ফারা আদায়ের পূর্বে স্বামীকে কাছে আসতে বাঁধা দেয়ার কোন অধিকার স্ত্রীর থাকবে না। আর কসমের কাফফারা হল, দশ জন মিসকীনকে দুই বেলা তৃপ্তি সহকারে খানা খাওয়ানো। অথবা প্রত্যেককে এক জোড়া কাপড় দেওয়া। আর তা সম্ভব না হলে এক নাগাড়ে তিন দিন রোযা রাখা।(বাদায়েউস সানায়ে ৩/৬৩ আলবাহরুর রায়েক ৪/২৮৬ ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৫৩)

আল্লাহ তাআলা বলেন,

لَا يُؤَاخِذُكُمْ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَكِنْ يُؤَاخِذُكُمْ بِمَا عَقَّدْتُمْ الْأَيْمَانَ فَكَفَّارَتُهُ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُهُمْ أَوْ تَحْرِيرُ رَقَبَةٍ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ ذَلِكَ كَفَّارَةُ أَيْمَانِكُمْ إِذَا حَلَفْتُمْ وَاحْفَظُوا أَيْمَانَكُمْ

আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক কসমের জন্যে; কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ কসমের জন্যে যা তোমরা মজবুত করে বাঁধো। অতএব, এর কাফফরা এই যে, দশজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবে; মধ্যম শ্রেণীর খাদ্য যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে দিয়ে থাক। অথবা, তাদেরকে বস্তু প্রদান করবে অথবা, একজন ক্রীতদাস কিংবা দাসী মুক্ত করে দিবে। যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না, সে তিন দিন রোযা রাখবে। এটা কাফফরা তোমাদের কসমের, যখন কসম করবে। তোমরা স্বীয় কসমসমূহ রক্ষা কর এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। (সূরা মায়িদা ৮৯)

والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী

সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করুন বন্ধুর সাথে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2018 Muftimahbub.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
ইসলামী জিজ্ঞাসা
 
জিজ্ঞাসা
 
ইসলামী জিজ্ঞাসা
+