রবিবার, ২৬ মে ২০১৯, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
আমার স্বামী পরনারীর সঙ্গে সেক্স চ্যাট করে; কী করব? মহিলা মাদরাসায় এসব কি হচ্ছে? রোযা অবস্থায় ব্রাশ করা যাবে? মৃত ব্যক্তির চুল নখ কাটা যাবে? ওষুধের মাধ্যমে মহিলাদের মাসিক নিয়ন্ত্রণ রোযা রেখে সহবাস করা যাবে কি? মুখে যে আর্দ্রতা থাকে তা কি থুথুর সাথে গিলে ফেলা যাবে? স্বপ্নদোষ হলে কী করবে? রোযা রেখে জোরপূর্বক স্ত্রী সহবাস তারাবিহ না পড়লে কি গুনাহ হয়? পোশাক সম্পর্কে ইসলামী নীতিমালা ফেসবুকে সালামের উত্তর কিভাবে দিব? রোযা অবস্থায় অশ্লীল চিন্তা-ভাবনায় বীর্যপাত হলে! রোযা রেখে যুবতী স্ত্রীকে চুমু দেওয়া রোযা রেখে হস্তমৈথুন করা যায়! কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যে তিন ব্যক্তির বিচার হবে ঝড়-তুফানের সময় যে দুআ পড়তে হয় ঝড়ের সময় আযান দেয়ার বিধান কি? রমযান মাসে হায়েয শুরু হলে কী করবে? ওষুধ খেয়ে হায়েজ বন্ধ করে দিবে? আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বিয়ে করলে বিয়ে হবে কিনা?

রোযা রেখে জোরপূর্বক স্ত্রী সহবাস

নাম প্রকা‌শে অ‌নিচ্ছ‌ুক
ও‌য়েব থে‌কে।

‌জিজ্ঞাসাঃ জনাব আ‌মি শয়তা‌নের তাড়নায় এবং যৌব‌নের তাড়নায় রমযান মা‌সে দি‌সের বেলায় স্ত্রীর অসন্তু‌ষ্টি‌তে তার সা‌থে সহবাস ক‌রে ফে‌লি। এখন আমা‌দের ব্যাপা‌রে ইসলামী বিধান কি অনুগ্রহ ক‌রে তাড়াতা‌ড়ি জানা‌বেন প্লিজ‌।

সমাধানঃ স্ত্রী রাজি না থাকা অবস্থায় জোরপূর্বক যদি স্বামী রমযা‌নে দি‌নের বেলায় রোযা অবস্থায় সহবাস করে, তা হলে স্বামী-স্ত্রীর রোযা ভেঙ্গে যাবে। কিন্তু স্ত্রীর উপর শুধু পরবর্তীতে কাযা রাখা আবশ্যক হবে কাফফারা দিতে হবে না।

ত‌বে স্বামীর উপর কাযা ও কাফফারা উভয়ই আবশ্যক হবে।

কাফফারা হল, লাগাতার ৬০ দিন রোযা রাখতে হবে। মাঝখানে একদিনও কাযা করা যাবে না। কাযা হলে আবার প্রথম থেকে ৬০ টি রোযা রাখতে হবে।

যদি কোন ব্যক্তি রোযা রাখতে না পারে বয়সের কারণে বা অসুস্থ্যতার কারণে তাহলে ৬০ জন মিসকিনকে দু বেলা খানা খাওয়াতে হবে। একদিনের খানা সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা।

রোযা রাখতে সক্ষম ব্যক্তি মিসকিনকে খানা খাওয়ালে কাফফারা আদায় হবে না।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ: هَلَكْتُ، قَالَ: «وَمَا أَهْلَكَكَ؟» قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَعْتِقْ رَقَبَةً» قَالَ: لَا أَجِدُ، قَالَ: «صُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ» قَالَ: لَا أُطِيقُ، قَالَ: «أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا

অনুবাদ- হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। রাসূল সাঃ জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাকে কে ধ্বংস করেছে? সাহাবী বললেন, রমজানে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলেছি। রাসূল সাঃ তাকে বললেন, তাহলে এর বদলে একটি গোলাম আযাদ কর। সাহাবী বললেন, আমি এতে সক্ষম নই। নবীজী সাঃ বললেন, তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখ। সাহাবী বললেন, আমি এতেও সক্ষম নই। তখন রাসূল সাঃ বললেন, তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকিনকে খানা খাওয়াও। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৬৭১, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৬৯৪৪, মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-১১০৭, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-১৯৪৯, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৩৫২৭}

من جامع عمدا فى أحد السبيلين فعليه القضاء والكفارة، ولا يشترط الإنزال فى المحلين، كذا فى الهداية، وعلى المرأة مثل ما على الرجل إن كانت مطاوعة، وإن كانت مكرهة فلعيها القضاء دون الكفارة، وكذا إذا كانت مكرهة فى الابتداء ثم طاوعته بعد ذلك (الفتاو الهندية-1/208، الفتاوى التاتارخانية-3/393

والله اعلم بالصواب

সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করুন বন্ধুর সাথে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2018 Muftimahbub.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
ইসলামী জিজ্ঞাসা
 
জিজ্ঞাসা
 
ইসলামী জিজ্ঞাসা
+