সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

সর্বোশেষ:
সহবাসের জন্য মাসিক বন্ধ করার বিধান কি? পুরুষদের হাতে মেহেদী দেওয়া! হস্তমৈথুনকারীর উপর গোসল ফরয নয়? যৌনি পথে বীর্যপাত না হলে গোসল করতে হবে না? পাকা ফ্লোর পবিত্র করার নিয়ম ঋতুস্রাব মনে করে নামায ছেড়ে দেওয়া কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে কি বৈধ? জন্মবার্ষিকী কি শিরক? স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া সফর বৈধ নয় কেন? হযরত ঈসা আ.কে অবৈধ সন্তান বলা মাহরামের সাথে বিয়ে অবৈধ হওয়ার রহস্য বাসর রাতে নববধূর সহবসে বারণ বিড়ি সিগারেট সেবন করা কি বৈধ? জবেহকৃত পশুর কোন কোন অংশ খাওয়া হারাম? একাধিক স্ত্রীর সাথে সহবাস কিভাবে করবে? ইসলামে কি পীর মুরিদ আছে? লা-মাযহাবীর পিছনে নামায পড়া পশ্চাদ দিক হতে স্ত্রীর যৌনাঙ্গে সহবাস করা খতনা উপলক্ষে অনুষ্ঠান করা কি বৈধ? অহংকার

ইসলামে কি পীর মুরিদ আছে?

পীর-মুরীদ শব্দের বিশ্লেষণ

পীরঃ শব্দটি ফার্সি; অর্থ : শায়খ, বৃদ্ধ, পুরাতন। পীর শব্দটি ফার্সি। আরবীতে বলা হয় মুরশীদ। মুরশীদ শব্দের অর্থ হল পথপ্রদর্শক। যিনি আল্লাহর আদেশ নিষেধ আল্লাহ তাআলা যেভাবে চান সেভাবে পালন করার প্রশিক্ষণ দেন তার নাম মুরশীদ বা পথপ্রদর্শক কিংবা যাকে ফার্সীতে বলে পীর।

মুরীদঃ শব্দটি আরবি। মুরীদ শব্দটি বাবে ( ﺍﻓﻌﺎﻝ ) হতে (اسم ﻓﺎﻋل ) এর রুপান্তর। আরবি গ্রামার অনুযায়ী বাবে ইফআল হতে ইসমে ফায়েল’-এর রুপান্তর মুরিআসে।

শাব্দিক অর্থ : ইচ্ছা পোষনকারী, দৃঢ় প্রত্যয়ী, সংকল্পকারী !

পরিভাষায় পীর বলা হয়, কুরআন সুন্নাহের আলোকে সৎপথের দিশারী এমন বিজ্ঞ আল্লাহর ওলীকে মানুষ যার হাতে নিজেকে সেচ্ছায় অর্পণ করে নিজের ইসলাহ বা আত্মশুদ্ধির উদ্দেশ্যে। যিনি নিজেকে পীরের কাছে অর্পন করেন তাকে মুরীদ বলা হয়। অর্থাৎ সে নিজের আত্মশুদ্ধির জন্য একজন শায়খ, কামেল বুজুর্গ ও আল্লাহর ওলির হাতে অর্পণ করার সংকল্প-ইচ্ছা করেছে।

মোটকথাঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর আদেশ-নিষেধ আল্লাহ তাআলা যেভাবে চান সেভাবে পালন করার ইচ্ছা পোষণ করে কোন পীরের হাত ধরে শপথ করে সে ব্যক্তির নাম হল মুরীদ।

 

বান্দার হেদায়েতের পদ্ধতি

আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর সূচনাকাল থেকেই তাঁর বান্দার হেদায়েতের দুটি ধারা অব্যাহত রেখেছেন। একটি ধারার নাম হলো, কিতাবুল্লাহ। আর অপর ধারার নাম হলো, রিজালুল্লাহ। কিতাবুল্লাহ অর্থ বান্দাদের মাঝে আসমানী কিতাবের মাধ্যমে হেদায়েত দান করেছেন। আর রিজালুল্লাহ অর্থ এমন ব্যক্তিত্ব, যারা তাফাক্কুহ ফিদ-দীন তথা দীনি বিষয়ে পরাঙ্গম ও আমলি-নমুনা, রুসূখ ফিল ইলম তথা ইলমি-গভীরতায় লব্ধ এবং তাকওয়া ও আল্লাহভীতির গুণে গুণান্বিত হবেন। যারা নিজেদের কর্ম ও আচরণ এবং সূরত ও চরিত্রের মাধ্যমে ইসলামী আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করবেন আর অন্যের জন্য উসওয়ায়ে হাসানা তথা উত্তম আদর্শ হবেন। যাদের ইখলাস ও লিল্লাহিয়্যাত সকল সন্দেহ-সংশয়ের উর্দ্ধে থাকবে, যারা হবেন মুসলিম উম্মাহর ব্যথায় ব্যথিত এবং উম্মাহর কল্যাণে শরীয়তের বিধান মোতাবেক বিভিন্ন অঙ্গনে নিবেদিত। আর উপরিউক্ত রিজালুল্লাহরই একটি শ্রেণীর নাম হল পীর।

 

ফায়দা
এ ব্যাখ্যা থেকে একথা স্পষ্ট হল যে, পীর হবেন শরীয়তের আদেশ নিষেধ পালন করার প্রশিক্ষণদাতা। আর যে সে প্রশিক্ষণ নিতে চায় সে শিক্ষার্থীর নাম হল মুরীদ।

 

কুরআন-হাদীসে পীর-মুরীদের প্রমাণ

পীর মুরীদির এ পদ্ধতি স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে চলে আসছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের আল্লাহমুখী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিতেন। সাহাবারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিতেন। বলা যায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন সবচেয়ে প্রথম ও বড় পীর, ও সাহাবায়ে কিরাম হলেন প্রথম মুরীদ। কুরআন-হাদীসে মুরীদ হওয়ার বিষয়টি এসেছে بيعة ‘বায়আত’ নামে।

বায়আত প্রসঙ্গে কুরআনের কয়েকটি আয়াত দেখুন-

১. আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন-

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ

অনুবাদঃ হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর, আর সৎকর্মপরায়নশীলদের সাথে থাক। {সূরা তাওবা-১১৯)

উক্ত আয়াতে কারীমায় সুষ্পষ্টভাবে বুযুর্গদের সাহচর্যে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

২. অন্যত্র মহান আল্লাহ তাআলা বলেন-

اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ

অনুবাদঃ আমাদের সরল সঠিক পথ [সীরাতে মুস্তাকিম] দেখাও। তোমার নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দাদের পথ। সূরা ফাতিহা-৬,৭

সূরায়ে ফাতিহায় মহান রাব্বুল আলামীন তাঁর নিয়ামাতপ্রাপ্ত বান্দারা যে পথে চলেছেন সেটাকে সাব্যস্ত করেছেন সীরাতে মুস্তাকিম। আর তার নিয়ামত প্রাপ্ত বান্দা হলেন-

الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ

অনুবাদঃ যাদের উপর আল্লাহ তাআলা নিয়ামত দিয়েছেন, তারা হল নবীগণ, সিদ্দীকগণ, শহীদগণ, ও নেককার বান্দাগণ। সূরা নিসা-৬৯

এ দু’ আয়াত একথাই প্রমাণ করছে যে, নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা হলেন নবীগণ, সিদ্দীকগণ, শহীদগণ, আর নেককারগণ, আর তাদের পথই সরল সঠিক তথা সীরাতে মুস্তাকিম। অর্থাৎ তাদের অনুসরণ করলেই সীরাতে মুস্তাকিমের উপর চলা হয়ে যাবে।

যেহেতু আমরা নবী দেখিনি, দেখিনি সিদ্দীকগণও, দেখিনি শহীদদের। তাই আমাদের সাধারণ মানুষদের কুরআন সুন্নাহ থেকে বের করে সীরাতে মুস্তাকিমের উপর চলার চেয়ে একজন পূর্ণ শরীয়তপন্থী হক্কানী বুযুর্গের অনুসরণ করার দ্বারা সীরাতে মুস্তাকিমের উপর চলাটা হবে সবচেয়ে সহজ। আর একজন শরীয়ত সম্পর্কে প্রাজ্ঞ আল্লাহ ওয়ালা ব্যক্তির সাহচর্য গ্রহণ করার নামই হল পীর মুরিদী।

 

৩. বায়আত প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন-

إِنَّ الَّذِينَ يُبَايِعُونَكَ إِنَّمَا يُبَايِعُونَ اللَّهَ يَدُاللَّهِ فَوْقَ أَيْدِيهِمْ فَمَنْ نَكَثَ فَإِنَّمَا يَنْكُثُ عَلَى نَفْسِهِ وَمَنْ أَوْفَى بِمَا عَاهَدَ عَلَيْهُ اللَّهَ فَسَيُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا

অনুবাদঃ যারা আপনার কাছে ‘বায়আত’ তথা আনুগত্যের শপথ করে, তারা তো আল্লাহর কাছে ‘বায়আত’ তথা আনুগত্যের শপথ করে। আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর রয়েছে। অতএব, যে শপথ ভঙ্গ করে; অতি অবশ্যই সে তা নিজের ক্ষতির জন্যেই করে এবং যে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করে; আল্লাহ সত্ত্বরই তাকে মহাপুরস্কার দান করবেন।’ -সূরা আল ফাতহ ১০

৪. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে যে ‘বায়আত’ ছিল তা হলো বায়আতে-রাসূল। খিলাফাতের যুগে ছিল বায়আতে-খিলাফাহ। খিলাফাতের পর যে বায়আতের প্রচলন শুরু হয় তা হলো বায়আতে-তাকওয়াহ বা বায়আতে-তাওবা। উম্মতকে শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদেরকে এ ধরনের ‘বায়আত’ও করেছেন। এ মর্মে বহু হাদীস পাওয়া যায়। যেমন সহীহ বুখারীর এক হাদীসে এসেছে-

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو إِدْرِيسَ، عَائِذُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ ـ رضى الله عنه ـ وَكَانَ شَهِدَ بَدْرًا، وَهُوَ أَحَدُ النُّقَبَاءِ لَيْلَةَ الْعَقَبَةِ ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ وَحَوْلَهُ عِصَابَةٌ مِنْ أَصْحَابِهِ ‏ “‏ بَايِعُونِي عَلَى أَنْ لاَ تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا، وَلاَ تَسْرِقُوا، وَلاَ تَزْنُوا، وَلاَ تَقْتُلُوا أَوْلاَدَكُمْ، وَلاَ تَأْتُوا بِبُهْتَانٍ تَفْتَرُونَهُ بَيْنَ أَيْدِيكُمْ وَأَرْجُلِكُمْ، وَلاَ تَعْصُوا فِي مَعْرُوفٍ، فَمَنْ وَفَى مِنْكُمْ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ، وَمَنْ أَصَابَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَعُوقِبَ فِي الدُّنْيَا فَهُوَ كَفَّارَةٌ لَهُ، وَمَنْ أَصَابَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا ثُمَّ سَتَرَهُ اللَّهُ، فَهُوَ إِلَى اللَّهِ إِنْ شَاءَ عَفَا عَنْهُ، وَإِنْ شَاءَ عَاقَبَهُ ‏”‏‏.‏ فَبَايَعْنَاهُ عَلَى ذَلِكَ‏.‏

অনুবাদঃ ‘উবাদা ইবনুস সামিত রাযি‏.‏ বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পার্শ্বে একদল সাহাবীর উপস্থিতিতে তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা আমার কাছে এই মর্মে বায়আত গ্রহণ কর যে, আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবে না, চুরি করবে না, যিনা করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দেবে না এবং নেক কাজে নাফরমানী করবে না। তোমাদের মধ্যে যে তা পূরণ করবে, তার বিনিময় আল্লাহর কাছে। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পড়লে এবং দুনিয়াতে তার শাস্তি পেয়ে গেলে, তবে তা হবে তার জন্য কাফ্‌ফারা। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পড়লে এবং আল্লাহ্ তা অপ্রকাশিত রাখলে, তবে তা আল্লাহর ইচ্ছাধীন। তিনি যদি চান, তাকে মাফ করে দেবেন আর যদি চান, তাকে শাস্তি দেবেন। আমরা এর উপর বায়আত গ্রহণ করলাম।-সহীহ বুখারী হাদীস নং ১৭

৫. রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একাধিক স্থানে নেককার ব্যক্তিদের সাহচর্য গ্রহণ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। যেমন-

عن أبي موسى رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه و سلم قال ( مثل الجليس الصالح والسوء كحامل المسك ونافخ الكير فحامل المسك إما أن يحذيك وإما أن تبتاع منه وإما أن تجد منه ريحا طيبة ونافخ الكير إما أن يحرق ثيابك وإما أن تجد ريحا خبيثة )

অনুবাদঃ হযরত আবু মুসা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-সৎসঙ্গ আর অসৎ সঙ্গের উদাহরণ হচ্ছে মেশক বহনকারী আর আগুনের পাত্রে ফুঁকদানকারীর মত। মেশক বহনকারী হয় তোমাকে কিছু দান করবে কিংবা তুমি নিজে কিছু খরীদ করবে। আর যে ব্যক্তি আগুনের পাত্রে ফুঁক দেয় সে হয়তো তোমার কাপড় জ্বালিয়ে দিবে, অথবা ধোঁয়ার গন্ধ ছাড়া তুমি আর কিছুই পাবে না।-সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫২১৪

উপরোক্ত আলোচনা থেকে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে, পীর-মুরীদি তথা বায়আত করা শরীয়ততসম্মত কাজ। স্বনামধন্য মুহাদ্দিস আবদুল হক মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ. তার ‘কওলুল জামিল’ কিতাবে লিখেন বায়আত গ্রহন করা সুন্নাত। তাসাউফ শিখতে হলে অবশ্যই কামেল মুহাকিক পীরের নিকট বায়আত গ্রহন করতেই হবে। যত্র তত্র বায়আত গ্রহন করা নিষিদ্ধ।

 

পীর না ধরে আত্মশুদ্ধি অর্জন হবে কি?

এ বিষয়ে হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন- যদি কেউ সারা জীবন কখনো প্রচলিত পদ্ধতিতে কারো হাতে বায়আত না হয়। বরং নিজে হক্কানী ও নির্ভরযোগ্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ইলমে দীন শিক্ষা করে। অথবা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামআতের উলামায়ে কেরামের নিকট থেকে জেনে নিয়ে আন্তরিকতার সাথে শরীয়তের বিধানবলী যথাযথভাবে পালন করে, তা হলে সেও মুক্তিপ্রাপ্ত, মকবুল ও নৈকট্য অর্জনকারীদের মধ্যে গণ্য হবে। তবে অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা গেছে যে, আমল ও ইসলাহের যে স্তর শরীয়তে কাম্য, তা কোন কামেল বুযুর্গের তরবিয়ত (প্রশিক্ষণ) ব্যতীত সচরাচর হাসিল হয় না। কিন্তু তার জন্য প্রচলিত বায়আত শর্ত নয়। প্রযোজন হল কামেল বুযুর্গের সংশ্রব ও সাহচর্য। তার মুহাব্বত, অনুসরণ-অনুকরণ। তৎসঙ্গে প্রযোজন ইসলাহ ও তরবিয়তের চিন্তা-ফিকির ও চেষ্টা-প্রচেষ্টা করা।

 

শেষ কথা!

সমাজে অজ্ঞ ও সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত কিছু লোক মানুষকে রিজালুল্লাহর এ পথ থেকেই বিচ্ছিন্ন করতে চায়। এমনটি হলে দীন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার সম্ভাবনা হয় প্রবল এবং মানুষের ধর্মীয় দিকটি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে যায়। অতএব, সঠিক বিষয়টি আল্লাহ আমাদের বুঝার তাওফিক দান করুন। আমীন।

অনুগ্রহ করে প্রচারের জন্য শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Muftimahbub.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com